নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে স্বীকার করলেন: ইরানের সঙ্গে পুনরায় যুদ্ধের ইচ্ছা নেই
ডক্টর মুহাম্মাদ ফারুক হুসাইন। প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে স্বীকার করলেন: ইরানের সঙ্গে পুনরায় যুদ্ধের ইচ্ছা নেই
কয়েক সপ্তাহ আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বিনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাকে একটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন। বার্তায় নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেছিলেন যে ইস্রায়েল ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো যুদ্ধের পথে যেতে চায় না। নেতানিয়াহু এই বার্তা ইরানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পুতিনকে অনুরোধ করেছিলেন, যাতে তেহরানও কোনো সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে।
কয়েক সপ্তাহ আগে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান যে ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠিয়েছিলেন। বার্তায় নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে তিনি ইরানের সঙ্গে পুনরায় কোনো যুদ্ধের পথে এগোতে চান না। পাশাপাশি, তিনি পুতিনকে অনুরোধ করেছিলেন এই বার্তাটি ইরানে পৌঁছে দিতে, যাতে তেহরানও ইস্রায়েলের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে।
যদিও এই বার্তা পাঠানোর পরেও ইস্রায়েলের মাধ্যমে প্রকাশিত মিডিয়া এবং সংবাদ চ্যানেলগুলো সরাসরি সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করছিল, যেন উত্তেজনার ছায়া দূর না হয়। এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে ইসরায়েলের সামরিক পরিকল্পনা ও বার্তা পাঠানোর নেপথ্যে বাস্তব শক্তির পাশাপাশি মানসিক চাপও কাজ করছে।
এরপরও, আজ বিনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে তিনি ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো সংঘাতের দিকে যেতে চান না। তিনি সূক্ষ্ম ও কৌশলী ভাষায় ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরানও ইস্রায়েলের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণ করবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নেতানিয়ুহ সাধারণত নিজের রাজনৈতিক দুর্বলতা আড়াল করতে দৃঢ় ও প্রভাবশালী ভাষা ব্যবহার করেন। কিন্তু এবার তার প্রকাশ্য স্বীকৃতি প্রমাণ করছে যে সাম্প্রতিক হুমকিগুলো ইরানের শক্তি ও সতর্কতার কারণে উদ্বেগপূর্ণ ছিল, এবং তা সরাসরি বাস্তব ক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল ছিল।
এভাবে নেতানিয়াহুর বার্তা ও স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও সম্ভাব্য উত্তেজনা হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



