বিশ্বের অশুভ ও অনাচারের প্রতিরোধের যথার্থ পথ
ডক্টর মুহাম্মাদ ফারুক হুসাইন। প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬
বিশ্বের অশুভ ও অনাচারের প্রতিরোধের যথার্থ পথ
মিডিয়া মিহির: দূরে সরে যাওয়া মানুষ যখন আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ হয়, তখন তার হৃদয়ে শয়তানের প্রভাব বাড়ে এবং এরই ফলশ্রুতিতে সমাজে অশান্তি ও নষ্টাচার ছড়িয়ে পড়ে। রজব ও শাবান মাস অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে রমজানের আলোকিত সফরের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার বিশেষ সুযোগ এনে দেয়।
পবিত্র রজব মাসের পরিপ্রেক্ষিতে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী বাণীর নির্বাচিত অংশসমূহ যেখানে এই মাসের সাধনা ও বান্দেগির সুযোগের কথা উল্লিখিত সম্মানিত পাঠকমণ্ডলীর উদ্দেশে নিবেদন করা হচ্ছে।
আল্লাহ থেকে দূরে থাকা মানুষের হৃদয়ের ওপর শয়তানের প্রভাব বিস্তার ঘটায় এবং এর ফলে মানুষের অন্তরে ও বিশ্বজুড়ে অশান্তি ও অনাচার ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রকৃত প্রতিকার হলো আল্লাহর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক স্থাপন করা এবং হৃদয়কে শয়তানের প্রভাব থেকে নিরাপদ রাখা।
রজব মাস এ ধরনের আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। রজব ও শাবানের দোআগুলো কেবল ঠোঁটের উচ্চারণ নয়; এগুলো সচেতন হৃদয়ে অর্থসহ পাঠ করার শিক্ষা দেয়। যে মুসলমান রজব ও শাবান মাসে নিজের সম্পর্ক আল্লাহর সঙ্গে অধিক ঘনিষ্ঠ করে, সে প্রস্তুত হৃদয় নিয়ে রমজানের সম্মানিত মাসে প্রবেশ করে। তখন রমজান সত্যিকারের ইলাহি ভোজের পর্বে পরিণত হয়।
মানুষের সকল দুর্দশার মূল কারণই হলো আল্লাহ থেকে দূরে সরে যাওয়া। তাই ইসলামে আল্লাহর সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক স্থাপনের জন্য নির্দিষ্ট সুযোগসমূহ নির্ধারিত হয়েছে। রজব ও শাবান হলো সেই অন্তরধৌতির সময়; পরিশুদ্ধ হৃদয় নিয়েই রমজানের দাওয়াতে উপস্থিত হওয়া উচিত—যেমন বলা হয়েছে: আগে নিজেকে ধুয়ে-মুছে নাও, তারপরই প্রবেশ করো।
সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ পরিবারগুলোর সঙ্গে সাক্ষাৎ — ১৩৮০/০৭/۰৪



