শিশুর স্বাভাবিক চঞ্চলতা ও গতিশীলতা সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণের তিনটি সোনালি নিয়ম
ডক্টর মুহাম্মাদ ফারুক হুসাইন। প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫
মিডিয়া মিহির: একজন শিশু-তারবিয়াত বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, শিশুর চঞ্চলতা যতক্ষণ না নিজের ক্ষতি, অন্যের ক্ষতি বা জিনিসপত্র নষ্ট করার পর্যায়ে পৌঁছে—ততক্ষণ সেটি গ্রহণযোগ্য; তবে এই তিন সীমা অতিক্রম করলেই আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও থামিয়ে দেওয়া প্রয়োজন।
পরিবার ও শিশুপালন–বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন সাইয়্যেদ আলীরেজা তারাশিয়ুন এক প্রশ্নোত্তর পর্বে “শিশুদের আচরণের লাল রেখা” বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যা আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলো।
শিশুর কর্মকাণ্ডের একটি নির্দিষ্ট মাত্রা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু যখন সেটি সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন প্রশ্ন ওঠে—“কখন বুঝব যে আচরণটি সীমা ভেঙে ফেলেছে? কোনো মানচিত্র বা লাল রেখা কি আছে?”—জবাব হলো, আছে। সেই লাল রেখাগুলো তিনটি শব্দে সীমাবদ্ধ:
প্রথমত: শিশু যেন নিজেকে আঘাত না করে;
দ্বিতীয়ত: অন্য কাউকে আঘাত না করে;
তৃতীয়ত: কোনো জিনিসপত্র নষ্ট না করে।
এই তিনটি শর্ত যতক্ষণ মানা হচ্ছে, ততক্ষণ তাদের দৌড়ঝাঁপ, খেলা ও চঞ্চলতা স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য।
কিন্তু আচরণ যখন এমন স্তরে পৌঁছে যায়—যেমন আমি উদাহরণ দিলাম, একটি শিশু টেলিভিশনের ওপর উঠে দাঁড়িয়েছে এবং সেখান থেকে লাফঝাঁপ করছে—তখন হঠাৎই শিশু এবং টেলিভিশন দুটোই পড়ে যেতে পারে।
টেলিভিশন ভেঙে গেলে তা ঠিক আছে; কিন্তু শিশুটি যদি আঘাত পায়?
এটাই সেই লাল রেখা।
স্পষ্ট যে, এমন আচরণ সীমা অতিক্রম করেছে এবং অবশ্যই কোনোভাবে তা নিয়ন্ত্রণ ও থামানো প্রয়োজন।



