আয়াতুল্লাহ জাওয়াদী আমুলীর দৃষ্টিতে হযরত ফাতিমা যাহরা (সা.আ.)–এর ইবাদতের মহিমান্বিত শৌর্য
ডক্টর মুহাম্মাদ ফারুক হুসাইন। প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০২৫
মিডিয়া মিহির: হযরত ফাতিমা যাহরা (সা.আ.)–এর ইবাদত ছিল গভীরতম আত্মসমর্পণের প্রতীক। নামাজে দাঁড়ালে তিনি আল্লাহর জালাল ও মহিমায় এমনভাবে তন্ময় হয়ে যেতেন যে তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাস পর্যন্ত ভারী হয়ে উঠত। আয়াতুল্লাহুল উজমা জাওয়াদী আমুলীর বর্ণনায় ফুটে ওঠে সেই তাসাউফমুখী আত্মনিবেদন, যা ফেরেশতাদেরও বিস্ময়ে
আয়াতুল্লাহ জাওয়াদী আমুলী এক বক্তৃতায় হযরত ফাতিমা (সা.আ.)–এর ইবাদতের অসামান্য অবস্থান তুলে ধরে বলেছেন:
নামাজের সময় তিনি এমনভাবে মহান আল্লাহর মহিমায় ডুবে যেতেন এবং তাঁর জালালাতি সত্তার তেজে এতটাই মুগ্ধ হতেন যে শ্বাসগুলো পর্যন্ত গুণে গুণে ফেলা যেত।
এ সম্পর্কিত বর্ণনায় এসেছে: “وَکانَت فاطِمةُ علیهاالسلام تَنهَجُ فِی الصَّلاةِ مِن خِیفَةِ اللّهِ تعالی” অর্থাৎ, আল্লাহর ভয়ে নামাজে দাঁড়ালে ফাতিমা (সা.আ.)–এর শ্বাস ভারী হয়ে আসত।
রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর কন্যার ইবাদত সম্পর্কে এভাবেই প্রশংসা করেছেন:
যখন যাহরা মেহরাবের সামনে দাঁড়ায়, তখন তিনি আকাশের ফেরেশতাদের কাছে উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো দীপ্তিমান হন। আল্লাহ ফেরেশতাদের উদ্দেশে বলেন: ‘হে আমার ফেরেশতারা! দেখো আমার শ্রেষ্ঠ বান্দা ফাতেমাকে—সে আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে; আমার ভয়ে তার সমগ্র অস্তিত্ব কেঁপে উঠছে, আর সে পূর্ণ মনোযোগ ও আন্তরিকতা নিয়ে আমার ইবাদতে নিমগ্ন।
সূত্র:
১.বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৬৭, পৃষ্ঠা ৪০০
২.বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৪৩, পৃষ্ঠা ১৭২
৩.ফাতিমা (সা.আ.) আদর্শ মানব



